সুদান ও দারফুর সঙ্কট এবং গণহত্যার নিকুজি তালাশ

0

সুদানের কনফ্লিক্ট এবং দারফুর গণহত্যা বুঝতে হলে সময় এবং ভূখন্ডের ব্যাপ্তিতে বেশ বড় একটা এরিয়া কাভার করতে হবে। সংক্ষেপে বিষয়টা বলার চেষ্টা করি। 

এক; সুদান মিশরের পাশেই অবস্থিত। ফলে সুদানের উত্তরাংশ মিশর লাগোয়া। ফারাওদের আমলে এই অংশটাকে বলা হত নুবিয়া। ফারাওরা মাঝে মাঝে সুদানের এই অংশটা-সহ শাসন করত। 

আবার ৭৫০ খৃষ্টপূর্বাব্দে নুবিয়ার কুশ রাজবংশ মিশর দখল করে নেয়। তারা তখন মিশরকে শাসন করত। এদেরকে বলা হয় ব্ল্যাক ফারাও বা কালো ফেরাউন বংশ। দেড়শ বছর তারা মিশরকে শাসন করেছিল। 

দুই; আফ্রিকান ভূখণ্ডে ইসলাম প্রবেশ করেছিল ফিলিস্তিন-সিনাই-মিশর হয়ে। মুসলিমদের বিজয়যাত্রা সুদানে মিশর হয়েই প্রবেশ করেছিল। ফলে একইভাবে সুদানের উত্তরাঞ্চল, অর্থাৎ যেটা মিশর লাগোয়া, সেখানে মুসলিমদের প্রভাব বেশি ছিল। সেখানে ইসলাম প্রথমে এসেছিল।

এখান থেকে ধীরে ধীরে সুদানের দক্ষিণ দিকে ইসলাম বিস্তৃত হতে থাকে। সেটা মধ্য সুদান পর্যন্ত এসে থেমে যায়। দক্ষিণ সুদান, যা ২০১১ সাল পর্যন্ত সুদানের অংশ ছিল, মূলত খৃষ্টান ও প্যাগান অধ্যুষিত। দুই সুদানের দ্বন্দ্বের বেশ বড় একটা ফ্যাক্ট ছিল ধর্ম, সংস্কৃতির ভিন্নতা। 

তিন; এই দুই পয়েন্ট থেকে আমরা বুঝতে পারি যে–সুদানের উত্তর অংশ মূলত দেশের এলিটদের আস্তানা। মধ্য ও দক্ষিণ সুদান নন-এলিট। আর ইসলাম পরবর্তী সময়ে এই এলিটরা ছিল আরব বা এরাবাইট মুসলিম। 

বর্তমান সুদানের অবশিষ্ট অংশের মানুষরাও মুসলিম এবং সুন্নি মুসলিম। উত্তরাংশের মত। বাট তারা আরব বা এরাবাইজড না, তারা পিউর আফ্রিকান। নিগ্রো। এই কালোদেরকে উত্তরের এরাবাইজড আফ্রিকানরা নিচু জাত মনে করে। নিজেদেরকে উঁচু জাত ভাবে। 

আফ্রিকানদের ইসলামকে নিচু ইসলাম মনে করে, নিজেদেরটাকে ভাল ইসলাম। যেমন ছিল বাংলাদেশ-পাকিস্তানের মানস। যেমন আছে বর্তমানে কোলকাতা বনাম ঢাকাইয়া বাঙ্গালীদের মানস। কোলকাতার বাঙ্গালিত্ব উঁচু এবং নিখাদ। ঢাকাইয়া বাঙ্গালিয়ানা কপি এবং ভেজালমিশ্রিত। 

যে কারণে ঢাকাইয়া বাঙ্গালীরা সর্বদা কোলকাতার বাঙ্গালীদের মত হয়ে উঠতে ব্যাকুল। শাঁখাসিঁদুর, ঢোল-তবলা, হনুমান-ময়ূর সবকিছু নিয়ে তারা পাই টু পাই কোলকাতাইয়ান হয়ে উঠতে চায়। নিজেদের নিচতা মুছে ফেলতে। 

সেম টু সেম সুদানে আরব বনাম আফ্রিকানদের মধ্যে এই সঙ্কট আছে। যদিও উভয় পক্ষের ধর্ম এক, উভয় পক্ষই মুসলিম। বাট এরাবাইজড মুসলিমদের সংস্কৃতি, রুচি, ধর্ম ভাল। আফ্রিকান মুসলিমদেরটা খারাপ। 

বাট আফ্রিকান সুন্নি মুসলিমরা আরবদের মত হয়ে উঠতে চায় নাই, তারা নিজেদের সংস্কৃতি, কৃষ্টি-কালচার নিয়ে বাঁচতে চায়। তারা নিজেদের মতই হয়ে উঠতে চায়। উত্তরপাড়ার এলিটদের মত নয়। 

চার; দারফুর মূলত সুদানের একদম পশ্চিমাংশে। এর আয়তন অতি বিশাল। সুদানের সবচাইতে বড় অঞ্চল। ফ্রান্সের সমান। তিন-চারটা বাংলাদেশের সমান জাস্ট দারফুরই। দারফুর ঐতিহাসিকভাবে আফ্রিকান মুসলিমদের অঞ্চল। 

এখানকার সবচাইতে বড় আফ্রিকান জনগোষ্ঠি ‘ফুর’ বা আরবিতে আল ফুর জনগোষ্ঠি। দার অর্থ আবাস বা ভূমি। ফলে দারফুর অর্থ হচ্ছে ফুর জনগোষ্ঠির আবাসভূমি। 

দারফুর অঞ্চলটা নিজেই পাঁচটা প্রদেশে বিভক্ত। উত্তর, দক্ষিণ, পূর্ব, পশ্চিম এবং মধ্য দারফুর। উত্তর দারফুর দারফুরের সবচাইতে বড় অঞ্চল। এটা একাই বাকি চারটা অঞ্চলের চাইতেও বড়। এখানে ফুর জনগোষ্ঠি এবং অপরাপর আফ্রিকান জনগোষ্ঠি সংখ্যাগুরু। মধ্য দারফুরেও সেম। 

অপরাপর আফ্রিকান জাতিগুলোর মধ্যে আছে মাসালিত, জাঘাওয়া ইত্যাদি। 

উত্তর ও পূর্ব দারফুরে কিছু আরব গোত্র আছে। তাদের মধ্যে বানি হুসাইন এবং রিজাইকাত বেশ বড়। রিজাইকাত হল বর্তমান র‍্যাপিড সাপোর্ট ফোর্স বা আরএসএফ’র প্রধান উৎস। এই পয়েন্টটা ইম্পোর্ট্যান্ট। এতে আমরা পরে আবার ফিরে আসব। 

পাঁচ; বৃটিশরা সুদান দখল করে নেয় ১৮৯৯ সালে। তবে এই দখল এককভাবে ছিল না। মিশরের ভায়া হয়ে ছিল। ফলে পৃথিবীর ব্যতিক্রমধর্মী কলোনিগুলোর একটা ছিল সুদান। যেখানে একইসাথে দুই কলোনিয়াল পাওয়ার সরাসরি শাসন করত; বৃটেন এবং মিশর। আবার মিশর ছিল বৃটেনের কলোনি। এই দুই কলোনিয়াল পাওয়ারের ভেতর আবার সুদানের ভাগবাটোয়ারা নিয়ে গ্যাঞ্জাম বাধত প্রায়ই। 

তবে এই উদ্ভট পদ্ধতি বৃটিশদের উদ্ভাবিত ছিল না। এটি ছিল মিশরের পাশাযুগে উসমানীয়দের পদ্ধতি। উসমানীয়রাও মিশরের ভায়া হয়ে সুদান শাসন করত এসময়। 

ছয়; সুদান দখলের ১৮ বছর পর বৃটিশরা দারফুর দখল করে নেয়। ১৯১৬ সালে। তখন দারফুরে সুবিশাল, অত্যন্ত সমৃদ্ধ ফুর সালতানাতের শাসন চলছিল। এই সালতানাত দখল করেই বৃটিশরা ঠিক উপমহাদেশের মত করে সেখানকার শাসক শ্রেণিকে নিম্নবর্গে পরিণত করে। 

বৃটিশরা জানত যেহেতু এই অঞ্চল আফ্রিকানদের অঞ্চল। তারা অঞ্চল দখলও করেছে আফ্রিকান শাসকদের হটিয়ে। ফলে এখানে বৃটিশদের প্রধান প্রতিপক্ষ হবে আফ্রিকানরা। তাই বৃটিশরা আফ্রিকান গোত্রগুলোকে চরমভাবে দমন করে। শাসক হিসেবে নিয়ে আসে এখানকার সংখ্যালঘু আরব গোত্রগুলোকে। এখান থেকেই সকল অনিষ্টের শুরু। 

পৃথিবীর কোনো প্রান্তে কোনো মানুষের রক্ত ঝরছে, মানুষ জুলুমের শিকার হচ্ছে, কারো অধিকার ক্ষুণ্ণ হচ্ছে–কিন্তু সেখানে ভদ্দরনোক ইউরোপিয়ানদের আদিপাপ নাই, এটা কোনোদিনও সম্ভব না। বাস্তবে তো না-ই, এমনকি হাইপোথিটিক্যালিও না। 

সাত; বৃটিশরা সুদানকেও দুইটা প্রশাসনিক ভাগে বিভক্ত করে। উত্তর এবং দক্ষিণ। এই বিভক্তিই ১৯৫৬ সালে বৃটিশদের চলে যাওয়ার পর দক্ষিণের স্বাধীনতা আন্দোলনে রূপান্তরিত হয়। যে দীর্ঘ রক্তক্ষয়ী সংঘাতে প্রায় ২০ লাখ বনি আদমের প্রাণ গিয়েছে। 

দক্ষিণ সুদানের স্বাধীনতার পরও সেই রক্তপাত থামেনি। দক্ষিণ সুদানের নিজস্ব গৃহযুদ্ধে মারা গিয়েছে আরও প্রায় ৪ লাখ মানুষ। 

আট; ১৯৫৬ সালে সুদান যখন স্বাধীন হয়, আরব অঞ্চলে তখন আরব জাতীয়তাবাদের প্রচণ্ড উত্থানকাল। পাশের দেশ মিশর থেকেই যা পুরো অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ছে। ফলে বলাই বাহুল্য এই ঢেউ সুদানেও তীব্র গতিতে আঘাত হানে। 

আর কয়েক হাজার বছর ধরেই তো সুদানি এলিটরা নিজেদেরকে উন্নত আরব মুসলিম মনে করে। ফলে আরব জাতীয়তাবাদ তাদের মানোচাহিদা ও মনোবৃত্তির সাথে খাপের খাপ মিলে যায়। স্ফুলিঙ্গকে দাবানলে পরিণত করে তোলে। 

ফলে খুব স্বাভাবিকভাবেই আরব বনাম আফ্রিকান সুদানি দ্বন্দ্ব, উঁচু জাত বনাম নিচু জাত, ভাল সুন্নি মুসলিম বনাম ভেজাল সুন্নি মুসলিম বাইনারি ও সংঘাত তীব্র থেকে তীব্রতর হয়ে উঠে। 

নয়; স্বাধীনতার পর থেকেই সুদান একের পর এক সামরিক অভ্যুত্থানে বিধ্বস্ত হয়ে যায়। অবশেষে ১৯৮৯ সালে কর্নেল উমর আল বশির ক্ষমতায় আসে। এর চার বছর আগেই মাত্র আরেকটা ক্যু হয়েছিল। 

ফলে খুব স্বাভাবিকভাবেই আগামী ৩-৪ বছরে পালটা ক্যু এর সম্মুখীন হয়ে নিজের ক্ষমতা এমনকি জীবনটাও খোয়াতে হতে পারে, এই শঙ্কা শুরু থেকেই ছিল। 

তার গোত্র যথারীতি উত্তরের আফ্রিকান-আরব গোত্রে। আল জা’লিয়া গোত্র। যারা মিক্সড ব্রিড। ফলে অইযে–পোপের চাইতেও বড় খৃষ্টান হয়ে উঠার বিষয়টা আছে না? তাই উমর আল বশির যেহেতু মিক্সড ব্রিড থেকে, যার আরব হওয়া নিয়ে সন্দেহ আছে, তাই সে আরবদের চাইতেও বড় আরব হয়ে উঠে। 

প্লাস প্রতিবেশি আরব রাষ্ট্রগুলোর সমর্থন, বিপুল পয়সার মালিক গালফ রাষ্ট্রগুলোর দানদক্ষিণার আশায় সে প্রচণ্ড আরববাদি হয়ে উঠে। পররাষ্ট্রনৈতিক আর অর্থনৈতিক লোভ নিজ দেশের জনগণের স্বার্থ, শান্তি, শৃঙ্খলা আর নিরাপত্তাকে ছাপিয়ে যায়। 

আরব-আফ্রিকান দ্বন্দ্ব তুঙ্গে উঠে তার আমলে। আফ্রিকান অধ্যুষিত অঞ্চলগুলো রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে চরম বঞ্চনা আর শোষণের শিকার হতে শুরু করে। সেখান থেকে মাথাচাড়া দেয় বিদ্রোহ আর সংঘাত। 

দশ; সে ক্ষমতা গ্রহণ করার পরপরই, ১৯৯০ এর দশকে উত্তর দারফুরে শুরু হয় খরা, মঙ্গা আর দুর্ভিক্ষ। উত্তর দারফুর ছিল যাযাবর অধ্যুষিত। আর দক্ষিণ দারফুর কৃষিভিত্তিক। 

অনাবৃষ্টি আর খরার ফলে উত্তরের যাযাবররা তাদের উট এবং অন্যান্য পশুর পাল নিয়ে দক্ষিণ দিকে কৃষিজমিতে চলে আসতে শুরু করে। এ নিয়ে যাযাবর আর কৃষিজিবীদের ভেতর শুরু হয় সংঘাত। 

বশির এই সংঘাতকে নিয়ে যায় আরব বনাম আফ্রিকান দ্বন্দ্বে। এ সময় অনেকগুলো বিদ্রোহী গোষ্ঠি গড়ে উঠে। তন্মধ্যে আরব যাযাবর রিজাইকাত গোত্র থেকে গড়ে উঠা মিলিশিয়াদল জানজাওয়িদ বা জানজাভিদদেরকে সে সমর্থন দিতে শুরু করে। তাদের হয়ে অন্যদের উপর রাষ্ট্রীয় বিমান বাহিনি আক্রমণ শুরু করে। 

এই মিলিশিয়াকে আরও একটা কারণে সে শক্তিশালি করেছিল–সেনাবাহিনির মোকাবিলায়। সে যেহেতু জানত যে যেকোনো সময় সেনাবাহিনি তার বিরুদ্ধে পালটা ক্যু করতে পারে, তাই সে আলাদা ‘রক্ষীবাহিনি’ গড়ে তুলেছে। তাদেরকে অস্ত্র, প্রশিক্ষণ, ইউনিফর্ম দিয়ে আধাসামরিক বাহিনিতে পরিণত করে। 

২০০৩ সালে দারফুর সংঘাত চরম পর্যায়ে পৌঁছায়। জানজাভিদরা আফ্রিকান গোত্রগুলোর উপর গণহত্যা চালায়। প্রায় ২৫ লাখ মানুষ সেসময় বাস্তুচ্যুত হয়। আপনি সংখ্যাটা লক্ষ করেছেন? ২৫ লাখ। যেখানে গোটা গাযার মোট জনসংখ্যাই ২০ লাখ। 

এই গণহত্যায় ৩-৫ লাখ মানুষ নিহত হয়। এই সংখ্যাটাও লক্ষ করেছেন? গাযায় টানা দুইবছর পৃথিবীর ইতিহাসে ইজরাইলের সর্বনিকৃষ্ট আগ্রাসনে এখনো পর্যন্ত কিন্তু ১ লাখ মানুষ মারা যায়নি, অফিশিয়ালি। যদিও আন-অফিশিয়ালি ২ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলা ধারণা করা হচ্ছে। 

সেখানে জাস্ট দারফুরেই নিহতের অফিশিয়াল সংখ্যাটা ৩ লাখ প্লাস!
গোটা গাযার জনসংখ্যার চাইতে বেশি মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যেতে হয়েছে! 

আরও দেড়বছর আগেই আল জাযিরাসহ অন্যান্য ইন্টারন্যাশনাল মিডিয়া রিপোর্ট করেছে যে দারফুরের শরণার্থী শিবিরগুলোতে প্রতি ২ ঘণ্টায় একজন করে শিশু ক্ষুধায় মারা যাচ্ছে! কী হৃদয়বিদারক পরিস্থিতি! 

এগারো; ২০১৯ সালে গণঅভ্যুত্থানে উমর আল বশিরের পতন হয়। এর বহুবছর আগেই দারফুর গণহত্যার দায়ে সে নেতানিয়াহুর মত আন্তর্জাতিক আদালতের গ্রেফতারি পরোয়ানা পেয়ে গেছে। 

তার পতনের পর অস্থায়ীভাবে একটা বেসামরিক সরকার গঠন করা হয়। ২০২১ সালে সেই সরকারকে হটিয়ে সামরিক বাহিনি পুনরায় ক্ষমতা দখল করে নেয়। এরপর থেকেই সেনাপ্রধান জেনারেল বুরহান আর জানজাভিদ মিলিশিয়া প্রধা জেনারেল হেমেদতির ভেতর ক্ষমতার লড়াই শুরু হয়। 

ঐতিহাসিকভাবেই সুদানের সেনাবাহিনি আরব জনগষ্ঠিতে পরিপূর্ণ। জানজাভিদরাও আরব। ফলে এই দুই ক্ষমতালিপ্সু জেনারেলের কামড়াকামড়িতে মারা যাচ্ছে সুদানের সাধারণ মানুষ। 

আল ফাশের হল উত্তর দারফুর, যেটা দারফুরের সর্ববৃহৎ প্রদেশ, এর রাজধানী। দারফুরের অন্যান্য প্রদেশগুলো আরএসএফ বা সাবেক জানজাভিদরা আগেই দখল করে নিয়েছিল। বাকি ছিল উত্তর দারফুর। এবার যে নিউজগুলো দেখছেন, সেগুলো রাজধানী আল ফাশের দখল করার পর। 

আঞ্চলিক শক্তিগুলোর মধ্যে আরব আমিরাত, রাশিয়া জানজাভিদদেরকে মদত দিচ্ছে। এদের অঞ্চলে থাকা সোনার খনির আশায়। আর লিবিয়ার সাথে এই অঞ্চলের সীমান্ত থাকায় একদম নিশ্চিন্তে-নির্বিঘ্নে অস্ত্র সাপ্লাই করা যাচ্ছে। 

সুদান সরকারকে মদত দিচ্ছে সৌদি, মিশর, তুরস্ক ও অন্যান্যরা। 

Author

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *